কোন বক্তব্য কোন স্থানে উপস্থাপন করলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে, তা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের খুব ভালো করেই জানা। গতকাল ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে নিজের ও দলের সুনির্দিষ্ট আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সংবিধান ও সরকারের কাঠামোগত ভিন্নতা তুলে ধরে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী যিনি রাষ্ট্রপতির পদে আসীন হন, তিনি আর কোনো দলের থাকেন না। অন্যদিকে, সরকারপ্রধান কোনো না কোনো দলের হওয়ার কারণে তাঁর মূল লক্ষ্য থাকে দলীয় এজেন্ডা বা মিশন বাস্তবায়ন করা। আপনি যেহেতু সম্পূর্ণ নির্দলীয়, তাই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আপনাকেই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।”
আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের দুর্দশার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, “গত ৩৬ দিন, অর্থাৎ ৩৬ জুলাই পর্যন্ত আমরা জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলোকে নিয়ে নানা সভা-সমাবেশ করেছি। সেখানে তাঁদের চোখের পানি দেখেছি। তারা যেন কখনো আফসোস করে বলতে না বাধ্য হয় যে—রাষ্ট্রের কাছে তাদের প্রাপ্য সম্মান বা সহায়তা তারা পায়নি।”
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির প্রবীণ ও নীতিবান নেতাদের মধ্যে অন্যতম মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ একজন সংস্কারপন্থী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে এবং দেশের রাজনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় তিনিও বিশেষ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।