নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর আলহাজ্ব আবদুর রহমান চৌধুরী বলেছেন,জুলাই ২৪ আমাদের ৩য় স্বাধীনতা, আমরা ৪৭ এ একবার, ৭১ এ একবার এবং ২৪ এর ৩৬ জুলাই ( ৫ আগস্ট) তৃতীয় বার স্বাধীন হয়েছি। আমরা যে লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে স্বৈরাচার পতন করছি সে লক্ষ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা যদি ফ্যাসিবাদীদের মত আচরণ করেন আপনাদের অবস্থাও ফ্যাসিবাদীদের মত হবে। তিনি প্রধান মন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার পিতা স্বাধীনতার ঘোষক, আপনার মা আপোষহীন নেত্রী। সে কথা মাথায় রেখে আপনার পাশে থাকা চাটুকার থেকে দূরে থাকুন।
৫ আগস্ট বুধবার বিকাল ৪টায় জুলাই-২৪ গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকীতে হাটহাজারী উপজেলায় ১১দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সমাবেশ ও গণমিছিলে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের মজলিশে শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা জামাল হোসেন।
১১ দলীয় ঐক্যের এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মজলিশে শুরা সদস্য ও হাটহাজারী উপজেলা আমীর অধ্যাপক আবদুল মালেক চৌধুরী।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা সাইফুদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় হাটহাজারী উপজেলা জামায়াতের কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক শোয়াইব চৌধুরী, এনসিপির হাটহাজারী উপজেলা সভাপতি মোঃ ওয়াসির, উপজেলা জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ এমরান হোসেন ,হাটহাজারী পৌরসভা আমীর মাষ্টার মাহমুদুল করিম, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি আাসলাম মোরশেদ, উপজেলা জামায়াতের সমাজ কল্যাণ সেক্রেটারী মোঃ ইসহাক।
সমাবেশে প্রধান বক্তা মাওলানা জামাল হোসাইন বলেন,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল চর দখলের মতো একের পর এক আধিপত্য বিস্তার করেছে।
তারা এক শিক্ষার্থীর চোখ তুলে নেওয়ার মতো নৃশংস ঘটনায় দেশজুড়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আবদুল মালেক চৌধুরী বলেন,১আগস্ট সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে বেআইনিভাবে জামায়াত- শিবিরকে নিষিদ্ধ করে শেখ হাসিনা ক্ষমতার মসনদে আরো টিকে থাকতে চেয়েছিল। কিন্তু নিষিদ্ধের চার দিনের মাথায় শেখ হাসিনা নিজেই পালিয়েছে।তিনি বলেন আজকে জামায়াত শিবির দেশের গনমানুষের গণসংগঠনে পরিনত হয়েছে।
সমাবেশ শেষে বিশাল গণমিছিলটি চট্টগ্রাম – রাঙ্গামাটি মহাসড়ক হয়ে কলেজ গেট দিয়ে হাটহাজারী পৌরবাজার কাচারি সড়ক ঘুরে চট্টগ্রাম – খাগড়াছড়ি মহাসড়ক দিয়ে বাসস্ট্যান্ড পার হয়ে জামায়াতের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।