চট্টগ্রামের পটিয়ার তোহা মুন্সির মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ বলে অভিযোগ করা হলেও তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত পক্ষ। তাদের দাবি, কোনো ধরনের মারধর বা সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি; বরং হঠাৎ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোকজনিত অসুস্থতার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া মো: আনোয়ারারের ছোট ভাই মো: তারেক একটি ভিডিও মারফতে জানিয়েছে-ঘটনার দিন তোহা মুন্সি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযুক্ত পরিবারের পক্ষে একটি ভিডিও মারফতে জানানো হয়- “আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা সঠিক নয়। একটি আকস্মিক ও শারীরিক অসুস্থতাকে হত্যায় রূপ দিয়ে সামাজিকভাবে আমাদের হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আসলেই সত্য উন্মোচিত হবে।” যদি হত্যাকান্ড হিসেবে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আসে তাহলে আমরাও হত্যার জন্য বিচার চাইবো।
অন্যদিকে, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জের ধরে তোহা মুন্সিকে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়েছে।
তোহা মুন্সির স্ত্রী রোজি আকতারের অভিযোগ, তাদের কলা বাগান থেকে কলা চুরি হলে তা নিয়ে প্রতিবেশি আনোয়ারকে সন্দেহ করেন। কেন জিজ্ঞেস করলো তা নিয়েই পরিকল্পিতভাবে তার স্বামীকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, তোহা মুন্সির ময়নাতদন্ত শেষে রিপোর্ট পেলে বুঝা যাবে হত্যা না আত্মহত্যা। তবে আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। এখনো থানায় মামলা হয়নি। গ্রেফতারকৃত আনোয়ারকে পটিয়া আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।