সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি আলোচিত বরগুনার বেতাগী সরকারি কলেজের প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও ৪৩তম বিসিএস ক্যাডার মো. মাকসুদুল হাসানকে (৩৪) যৌতুকের মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত শনিবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাত একটার দিকে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার শুলকবহর এলাকার কালা মুন্সি লেইনের নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরে পুলিশ তাঁকে আদালতে সোপর্দ করে।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে নিজ বাসা থেকে মাকসুদুল হাসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, এক তরুণীর সঙ্গে মাকসুদুল হাসানের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই ওই তরুণীর কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করার অভিযোগ ওঠে। দাবিকৃত টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁকে নানাভাবে মানসিক চাপ ও হয়রানি করা হয়।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেফতারের আগে গত জুলাইয়ের প্রথম দিকে বরগুনার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া এলাকার এক তরুণীর সঙ্গে মাকসুদুল হাসানের কথিত সম্পর্কের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিডিওর ওই তরুণী মোকামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা এবং পরবর্তীতে দায়ের হওয়া যৌতুকের মামলাটি সম্পূর্ণ পৃথক দুটি বিষয়।