অধিনায়কের সামারি কোর্টের মাধ্যমে চাকরিচ্যুত সব বিডিআর সদস্যকে চাকরিতে পুনর্বহাল এবং তাদের নাগরিক অধিকার ও চাকরিসংশ্লিষ্ট সব সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাবেক বিডিআর সদস্যরা। পাশাপাশি, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব দাবি তুলে ধরেন সাবেক বিডিআর সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। ‘অধিনায়কের সামারি কোর্টে চাকরিচ্যুত বিডিআর-২০০৯’ ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০১২ সালে কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই এবং অপরাধের সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে প্রায় ১০ হাজার বিডিআর সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চাকরিচ্যুত এসব সদস্য ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বক্তারা অবিলম্বে চাকরিচ্যুত সদস্যদের পুনর্বহাল করে তাদের পূর্ণাঙ্গ নাগরিক অধিকার এবং চাকরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
তারা আরও প্রশ্ন তোলেন, সরকার যদি রোহিঙ্গাদের জন্য দেশে আশ্রয় ও সহায়তার ব্যবস্থা করতে পারে, তাহলে দেশের নাগরিক হয়েও চাকরি হারানো বিডিআর সদস্যদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে না কেন?
পিলখানার ঘটনা প্রসঙ্গে বক্তারা দাবি করেন, ২০০৯ সালের ওই ঘটনা শুধু বিদ্রোহ ছিল না, বরং এটি ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে স্বাধীন তদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আনার দাবি জানান তারা।
তাদের বক্তব্য, তদন্ত প্রতিবেদন গোপন না রেখে জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে, যাতে পিলখানার ঘটনার প্রকৃত তথ্য জাতির সামনে উঠে আসে।
Leave a Reply